২৯ আগস্ট ২০২৬ রোজ শনিবার হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক তরফ বার্তা,প্রতিদিনের বাণী সহ স্থানীয় পএিকা ও অনলাইনে মাধবপুর বিএনপি সভাপতি সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকার চাঁদাবাজি অভিযোগে দ্রুত বিচার আইনে মামলা শিরোনামটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের মালঞ্চপুর গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী শাহিনুুর রহমানের ছেলে সানি আলম শ্রাবণ ১৬ আগষ্ট ধর্মঘর বাজারের দত্তপাড়া এলাকায় ভবন নির্মাণের কাজ চলাকালে উপজেলা বিএনপি সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম কামাল ও অন্যান্য উল্লেখিত আসামিরা গিয়ে ভবনের কাজে বাঁধা দেয় এবং বাদী পক্ষকে মারধর করে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাদের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় এমনটাই সংবাদে বলা হয়েছে।আমি প্রকাশিত খবরের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। প্রকৃত ঘটনা হলো আমি বিরোধপূর্ণ জায়গায় একটি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য গিয়েছিলাম।চাঁদা দাবির প্রশ্নই আসে না।একটি কুচক্রি মহল ইউনিয়ন পরিষদ নিবার্চন কে সামনে রেখে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সাংবাদিক ভাইদের ভূল ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করানো হয় যা আদৌ সত্য নয়।আমি এই প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি, তার সাথে আশাবাদী এই ঘটনার নিরপেক্ষ সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনগণের সামনে বেরিয়ে আসুক।
প্রতিবাদকারী -
মো:শামসুল ইসলাম কামাল
সভাপতি মাধবপুর উপজেলা বিএনপি,
সাবেক চেয়ারম্যান ১ নং ধর্মঘর ইউনিয়ন পরিষদ,মাধবপুর, হবিগঞ্জ।